স্বাগতবার্তা
“শিশু হলো ভবিষ্যতের বীজতলা।” সঠিক যত্ন, উপযুক্ত শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা পেলে সেই বীজতলা থেকেই জন্ম নেবে আলোকিত সমাজের নির্মাতা। তামরীন মডেল মাদরাসায় আমরা চেষ্টা করি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে শুধু বইপড়ুয়া নয়, বরং সৎ, দায়িত্বশীল, আত্মবিশ্বাসী ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে।
মানুষের প্রাচীনতম শিক্ষক ছিলেন নবী-রাসূলগণ, আর সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ। তিনি বলেছেন— “আমি শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি।” এই অনন্য শিক্ষাদর্শই আমাদের জন্য প্রেরণার উৎস। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষা কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়; এটি হলো মানুষকে সঠিক চরিত্র, সত্যনিষ্ঠা ও নেতৃত্বের পথে দীক্ষিত করার সর্বোত্তম মাধ্যম।
বাংলাদেশে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় মাদরাসা শিক্ষা একটি স্বতন্ত্র ও পূর্ণাঙ্গ ধারা। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি যুগ যুগ ধরে এটি সমান্তরালভাবে চলেছে এবং মানুষের মনে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে। ধর্মীয় ও জাগতিক শিক্ষা পরস্পরের পরিপূরক। তাই যুগোপযোগী সিলেবাস, মানসম্মত পাঠ্যক্রম, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, সৃজনশীল কার্যক্রম এবং শিশু-মনস্তত্ত্বভিত্তিক পদ্ধতির সমন্বয়ে আমরা তামরীন মডেল মাদরাসার পাঠক্রম সাজিয়েছি।
এখানে শিক্ষার্থীরা কেবল বইপাঠে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তবে কাজে লাগাতে উদ্বুদ্ধ হয়। আর্ট অ্যান্ড কালচার, সৃজনশীল প্রকাশভঙ্গি, সুশৃঙ্খল আচার-আচরণ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই তারা হয়ে উঠবে সমৃদ্ধ সমাজের নেতৃত্বদানে সক্ষম মানুষ।
আমাদের লক্ষ্য হলো— এমন একটি প্রজন্ম তৈরি করা যারা ইসলামী মূল্যবোধে দৃঢ়, জাগতিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ, চরিত্রে উজ্জ্বল এবং বাস্তব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হবে।
আল্লাহর অশেষ রহমতে তামরীন মডেল মাদরাসা আগামী দিনে একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সমাজে কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।
আবুবকর বিন রাশেদ
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
তামরীন মডেল মাদরাসা